Hotline Free:01906-607107

Showing all 9 results

Views:
Filter

Filter by price

Sale

ইলাল উখতিল মুসলিমা

৳ 234.00
লেখক : মাজিদা রিফা
প্রকাশনী : প্রত্যয়

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩০৪
হার্ড কভার

‘মুসলিম বোনের প্রতি’— জীবন ও জগৎজুড়ে অসংখ্য গল্প। নারীর জীবনজুড়ে যত গল্প, তার সবচেয়ে উৎসাহী পাঠক হয় তার বোন। কী শৈশব, কী কৈশোর, সংসার, সন্তান, সমাজ নিয়ে জীবনযুদ্ধের ময়দান; সবখানেই একজন বোনের মতো দরদি শ্রোতা কোথায় পাওয়া যায়! কে আছে বোনের মতো যে জীবনের ফেলে দেয়া পাণ্ডুলিপি তুলে এনে সুন্দর পরামর্শ দিয়ে সহজ রাস্তার রঙিন ছবি এঁকে দেয় ধূসর কাগজে। এর কারণ হয়তো এই— যে সমাজ ও পরিবেশে একটি কন্যাসন্তান বেড়ে ওঠে, ঠিক একই প্রাপ্তি ও প্রতিকূলতা নিয়ে নারী হয়ে ওঠে তার বোনটিও। ‘ইলাল উখতিল মুসলিমা’ বইটি বলছে তার দৈনন্দিন জীবনের বোধ ও অস্তিত্বের গল্প। আহ্বান করছে এক অসীম অালোক উন্নত জীবনের দিকে, যেখানে নারী পুরুষ নির্বিশেষে সুশোভিত হয়ে আছে রবের দেওয়া অনন্য এক মর্যাদায়। সৃষ্টির সেরা মর্যাদা। রব বলেন, যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা।

অতি ক্ষুদ্র এ পৃথিবীর পরমাণু বিষয়-সমস্যা নিয়ে মানুষজাতির যে জীবন, সে ছোট্ট, অতি ছোট্ট জীবনের ক্ষুদ্রতার মাধ্যমেই এ মহাবিশ্বের লক্ষ কোটি সৃষ্টির সেরা হওয়ার কুরআনি প্রচেষ্টা হলো— ‘ইলাল উখতিল মুসলিমা’

Sale

গুনাহ মাফের আমল

৳ 103.00
লেখক : ড. সায়্যিদ বিন হুসাইন আফফানী
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আসলাফ
বিষয় : ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
অনুবাদক—মুজাহিদুল ইসলাম মাইমুন
সম্পাদক—আবদুল্লাহ আল মাসউদ
পৃষ্ঠা সংখ্যা—১০৪
আমরা সবাই কমবেশি গুনাহগার। মাঝেমাঝে খুব হতাশ লাগে, এই বুঝি আমি শেষ! আমার আর নাজাত পাওয়ার পথ নেই! অথচ রব্বুল কারীম হচ্ছেন মহান ক্ষমাশীল। আমরা পাপ করতে করতে ক্লান্ত হতে পারি কিন্তু তিনি মাফ করতেই অধিক ভালোবাসেন। এজন্য বাহানা খোঁজেন—কী করে নিজ বান্দাকে ক্ষমা করবেন!এই বইতে লেখক গুনাহ মাফের আমল বিষয়ক ১২৬টি নির্ভরযোগ্য হাদীস একত্রিত করেছেন। পুরো বইতে শুধুমাত্র নবীজি মুহাম্মাদ স.-এর মুখনিঃসৃত গুনাহ মাফের বিভিন্ন আমলের পথ বাতলানো হয়েছে।কিছু ইলম (জ্ঞান) থাকে, যা না জানলেই নয়। আল্লাহর ক্ষমা লাভ করে পরকালে নাজাত পাওয়ার উপায়ের ইলমের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইলম আর কী হতে পারে!
Sale

জীবন যদি হতো নারী সাহাবীর মত

৳ 130.00
লেখক : ড. হানান লাশিন
প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশন
বিষয় : ইসলামে নারী, নবী-রাসূল ও সাহাবীদের জীবনী, ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মজুমদার
সম্পাদনা: উস্তায আবুল হাসানাত কাসেমী, উস্তায আব্দুল্লাহ মাহমুদ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৮ টি
কভার: পেপার ব্যাক
মক্কা নগরীতে একজন মহামানবের আবির্ভাব হলো, আসমান থেকে তার ওপর নেমে এলো এক ঐশী আলোক রেখা, দলে দলে মানুষ সেই মহামানবের ডাকে সমবেত হতে শুরু করল। একটি অত্যুজ্জ্বল আলোর পানে ছুটে আসতে লাগল তৃষিত সব প্রাণ। সেই তৃষ্ণার্ত, ক্ষুধিত প্রাণের মানুষগুলোর মাঝে, বিশাল একটি সংখ্যা ছিল নারীদের। নারী সাহাবিদের। রাযিয়াল্লাহু আনহুন্না। নবিজি যখন এক চরম, পরম ও মহাসত্যের দিকে মানুষকে আহ্বান করলেন, তখন অনেকের মতো চারদিক থেকে তৃষিত হৃদয়ে ছুটে এলো নারীদের দলও। তারাও বরণ করে নিল সত্যের পেয়ালা। যে অমৃত নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ধারণ করে এনেছেন হেরা পর্বত থেকে, সেই অমৃত পান করতে উদগ্রীব হয়ে পড়লেন তারাও।সত্যের এই মিছিলে যোগদান তাদের জন্য সহজ ছিল না মোটেও। নবিজির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে তারা হয়েছেন ঘরহারা। হারিয়েছেন প্রিয় মানুষ, প্রিয় মুখ। সত্যকে নিজেদের জীবনে ধারণ করতে গিয়ে তারা হিজরত করেছেন। ছেড়ে এসেছেন প্রিয় জন্মভূমি। এমনকি হাসিমুখে মৃত্যুর মিছিলেও তারা অংশ নিয়েছেন। তবু যে অমৃত তারা পান করেছেন, যে রঙে রাঙিয়েছেন জীবন, যে সুরে আবগাহন করেছেন তনুমন, সেই অমৃত, সেই রং, সেই সুর থেকে তারা একচুল পরিমাণও বিচ্যুত হননি। এতটাই দৃঢ় আর অবিচল ছিল তাদের ঈমান।ঐশী আলোর ঝলকানিতে আমাদের নারী সাহাবিগণ তাদের জীবনকে করেছেন আলোকময়, যে সুর আর লহরির মাঝে তারা হারিয়ে গেছেন, সত্যের পথে হাঁটতে তারা যে ত্যাগ-তিতিক্ষা, যে বিসর্জন দিয়েছেন, তা-ই উপজীব্য হয়ে উঠে এসেছে আমাদের ‘জীবন যদি হতো নারী সাহাবির মতো’ বইতে। সত্য আর সুন্দরের জন্য তাদের কুরবানি, তাদের আত্মত্যাগের গল্পগুলো থেকে আমরা খুঁজে নেব আমাদের জীবনের রসদ। রাঙিয়ে নেব আমাদের জীবনোধ্যায়। শুধরে নেব ভুল। জাগিয়ে তুলব বিস্মৃত অন্তর।
Sale

ফেরা ২

৳ 120.00

ফেরা ২

৳ 120.00
লেখক : বিনতু আদিল
প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশন
বিষয় : ইসলামী সাহিত্য, গল্প-উপন্যাস এবং সফরনামা, ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
ভাষান্তর: সাদিকা সুলতানা সাকী
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১২০
জাগতিক নিয়মে, সব পাখি নীড়ে ফেরে। ফুল ফোটে, বৃষ্টি নামে এবং নদী তার আপন পথে বাঁক নেয়। কিন্তু, ফেরে না কেবল মানুষ। অহংকার আর অহমিকার দহনে তার বুকের ভেতরে জিইয়ে রাখে পাহাড়সম আগুন। সেই আগুনে ঝলসে যায় সে নিজে এবং ঝলসে দিতে চায় তার চারপাশ। মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ আর বেপরোয়া। সে তার অস্তিত্বের কার্যকারণ ডিঙিয়ে নিজেকে আমিত্বের আসনে দেখতে চায়। নিজের ক্ষুদ্রাকৃতির প্রতি চূড়ান্ত ভাবলেশহীন হয়ে সে নিজেকে অনন্ত-অসীমে কল্পনা করে বসে। ফলে সে বিচ্যুত হয়। পদস্খলন ঘটে তার। যুগে যুগে যাদের ধ্বংসের পদধ্বনি আমরা শুনতে পাই, তাদের সকলের যেন একই গল্প, একই চিত্রনাট্য—ঔদ্ধত্য, অহংকার আর অনাচার। এক মহাসত্যকে পাশ কাটিয়ে, নিজেকে নিয়ন্ত্রকের আসনে যখনই সে আসীন করতে গেছে, তখনই ধ্বংস অনিবার্য হয়ে নিপতিত হয়েছে তার ওপর।তবু, কারও কারও গল্পটা অন্যরকম। তবু, কেউ কেউ ফিরে আসে। খুঁজে পায় পথ। খুঁজে নেয় অন্তিম অবসরের অনন্ত আবাসস্থল। ফিরে আসা এমন দুটো পবিত্র আত্মার যাপিত-জীবনের রং-তুলিতে নির্মিত আমাদের ফেরা-২।গল্পের ভেতরেও গল্প থাকে, পরিচ্ছেদের ভেতরেও থাকে উপ-পরিচ্ছেদ। আমাদের গল্পটা ভিন্ন। এই গল্পটা একেবারে ডুবে যাওয়ার গল্প নয়, বরং ডুবতে ডুবতে হঠাৎ মাঝ-সাগরে জাহাজের মাস্তুল পেয়ে যাবার মতোই। এই গল্পটি হারিয়ে যাবার গল্প নয়, বরং নিজেকে নতুনভাবে ফিরে পাবার উপাখ্যান। তাই, এই গল্পটি একটু অন্যরকম।দুজন হিন্দু বোন, যারা আশৈশব দেব-দেবীর পূজো-অর্চনা করেছে, মণ্ডপে যারা নিবেদন করেছে গভীর অনুরাগের নৈবেদ্য, তারা কোন জাদুকরী মন্ত্রে খুঁজে পেল ইসলাম? মন্দিরের ঘণ্টার শব্দ, পূজো-পার্বনের কীর্তনের সুর যাদের রক্তে মেশা, তারা কেনই-বা মগ্ন হলো মিনার থেকে ধেয়ে আসা আযানের ধ্বনিতে? ‘ফেরা-২’ এমনই এক যাপিত-জীবনের উপাখ্যান, কিংবা মহাকাব্যের চেয়েও বেশি কিছু।মূল বইটি উর্দু ভাষায় রচিত। লেখিকা বিনতু আদিলের জন্য আমাদের অন্তরের গভীর থেকে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর দুআ রইল। আর জীবনের নতুন অনুচ্ছেদ যারা শুরু করতে যাচ্ছেন তাদের জীবন রঙিন এবং সুখময় হবে, অনন্ত আখিরাতে রহমানের আরশের সুশীতল ছায়ায় আশ্রিত হয়ে ধন্য হবেন, এই আমাদের প্রত্যাশা। সাথে, এই বইটি এমন হাজারো পথহারা পথিকের জন্য পথ খুঁজে পাওয়ার দিশা হবে, ঘুম ভাঙানোর কারণ হবে, এই কামনা।
Sale

বেলা ফুরাবার আগে

৳ 200.00
লেখক : আরিফ আজাদ
প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশনআত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
বিষয় : অন্ধকার থেকে আলোতে, ইবাদত, 
পৃষ্ঠা: ১৯২
কভার: পেপারব্যাকবেলা ফুরাবার আগে…নিজেকে আবিষ্কারের একটি আয়না। যে ভুল আর ভ্রান্তির মোহে, অন্ধকারের যে অলিগলিতে আমাদের এতোদিনকার পদচারণা, তার বিপরীতে জীবনের নতুন অধ্যায়ে নিজের নাম লিখিয়ে নিতে একটি সহায়ক গ্রন্থ এই বই, ইন শা আল্লাহ।বইটি কাদের জন্য?এই বই তাদের জন্য যারা আমার কাছে ‘সাজিদ হতে চাই’ বলে বিভিন্ন সময়ে আবদার করেন। পরামর্শের আবদার, পথনির্দেশের আবদার। সাজিদ হতে হলে, আমি মনে করি, সবার আগে একটা অন্ধকার বৃত্ত থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সাজিদ যেভাবে অন্ধকারের কৃষ্ণগহ্বর ছেড়ে, আলোর ফোয়ারাতে তার জীবন রাঙিয়েছে, সেরকম ঝলমলে আলোর মাঝে নিজেকে মেলে ধরাই ‘সাজিদ’ হবার প্রথম এবং প্রধান শর্ত। কেবল ভারি ভারি বই আর যুক্তির পশরা সাজিয়ে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার মধ্যেই ‘সাজিদ’ হয়ে উঠার সার্থকতা নেই। সাজিদ হয়ে উঠার সার্থকতা তখনই যখন সাজিদ যে আদর্শের আলো প্রাণে প্রাণে ছড়িয়ে দিতে চায়, তা আমরা জীবনে মেখে নিতে পারবো।বইটি কাদের জন্য?ভুলোমনা একঝাঁক তারুণ্যের জন্য এই বই। যে ভুলের গহ্বরে তারা জীবনের বসন্তগুলোকে পার করছে, সেই ভুল থেকে তাদের ‘বেলা ফুরাবার আগে’ টেনে তুলতেই এই বইটার অবতারণা।এর বাইরেও থাকছেঃ
‘চোখের রোগ’, ‘বলো, সুখ কোথা পাই’, ‘বেলা ফুরাবার আগে’, ‘মেঘের কোলে রোদ হেসেছে’, ‘যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা’, ‘চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়’, ‘বসন্ত এসে গেছে’, ‘তুলি দুই হাত করি মোনাজাত’, ‘চলো বদলাই’ নামের আঠারোটি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে, ভিন্ন ভিন্ন অধ্যায়।
Sale

রূহের খোরাক

৳ 301.00
লেখক : আল্লামা ইবনুল কায়্যিম জাওযিয়্যাহ রহ
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আসলাফ
বিষয় : ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
পৃষ্ঠা : 352, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2021
ভাষা : বাংলা
অনুবাদক : জুবায়ের মহিউদ্দীন
আল-জাওয়াবুল কাফী তাযকিয়াতুন নফস বা আত্মশুদ্ধি বিষয়ে রচিত অতুলনীয় এক গ্রন্থ। অন্তরের ব্যাধিতে দিশেহারা এক ব্যক্তির একটি মাত্র প্রশ্নের জবাবে হিজরি ৭০০ শতাব্দীর যুগশ্রেষ্ঠ আলিম ইমাম ইবনু কাইয়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ আত্মশুদ্ধির খনি রেখেছেন এ গ্রন্থে। রূহের খোরাক তারই অনূদিত রূপ।ভারত উপমহাদেশসহ বাংলা ভূখণ্ডের বরেণ্য সব বুযুর্গ ব্যক্তিত্ব ও আধ্যাত্মিক মনীষীর বিভিন্ন নসীহতে, আলোচনায়, বয়ানে—এমনকি আত্মশুদ্ধিমূলক নানা বইয়ে আছে এ গ্রন্থের উদ্ধৃতি। অন্তরের রোগে পেরেশান অসংখ্য মানুষ এ গ্রন্থ থেকে আত্মশুদ্ধির খোরাক নিয়ে হিদায়াতের পথে হেঁটেছেন, পেয়েছেন মুক্তির দিশা। এতে বিবৃত আত্মার রোগের ব্যবস্থাপত্র শত শত বছর ধরে যাঁরাই পাঠ করেছেন, নিজের পাপ- পুণ্যের হিসাব মেলাতে গিয়ে অঝোর নয়নে ভিজিয়েছেন রাতের জায়নামায।আত্মশুদ্ধি বিষয়ক গ্রন্থগুলোর প্রধানতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে—যে কোনো আলোচনা হৃদয়গ্রাহী ও প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করা, যা মানুষকে গুনাহ ত্যাগে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সওয়াব অর্জনেও করবে উদগ্রীব। বৈশিষ্ট্যটি এ গ্রন্থে পরিপূর্ণরূপে উপস্থিত। প্রায় হাজার বছর অতিক্রান্ত হলেও এর আবেদন ও প্রয়োজনীয়তা এতটুকুও ম্লান হয়নি। আজও কোনো মুমিনের অন্তর গুনাহের খরতাপে রুক্ষ-তৃষিত হলে এ গ্রন্থ এক পশলা বৃষ্টির মতো তার হৃদয়কে শীতল করে দেয়।
Sale

রূহের চিকিৎসা

৳ 322.00
লেখক : ইমাম ইবনু তাইমিয়া রহ
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আসলাফ
বিষয় : ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
পৃষ্ঠা : 384, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st published 2021
অনুবাদ: আল-আমিন ফেরদৌস, ইসমাঈল যাবিহুল্লাহ
সম্পাদনা : আসলাফ সম্পাদনা পর্ষদ
বর্তমান সময়কে চিকিৎসাব্যবস্থার উৎকর্ষ সময় বলা যায়। প্রায় সব রোগেরই উন্নত চিকিৎসাপদ্ধতি বের হয়েছে। আমরা বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। একইসঙ্গে সুস্থতার জন্য নানাবিধ ব্যবস্থা নিচ্ছি। শারীরিক সুস্থতার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে আমরা কোনো ধরনের ত্রুটি করছি না। অথচ শরীরের যেমন রোগব্যাধি হয়, অন্তরও রোগব্যাধি থেকে মুক্ত নয়। প্রতিনিয়ত আমরা বিভিন্ন রকম অন্তরের রোগে আক্রান্ত হই। বিভিন্ন জটিল রোগ বাসা বেঁধে আমাদের সুস্থ আত্মাকে অকেজো করে ফেলে। রোগের তীব্রতায় আমাদের মধ্যকার ভাল ও সৎ গুণগুলো হারিয়ে যায়। সে জায়গায় স্থান করে নেয় হিংসা-বিদ্বেষ ও রিয়ার মতো ধ্বংসাত্মক ব্যাধি।কিন্তু সে জন্য আমরা কোনো ধরনের চিকিৎসার কথা ভাবি না। অনেকেই এই রোগগুলোকে অবহেলা করে এড়িয়ে যায়। কেউ কেউ তো জানেই না, শরীরের মতো অন্তরের রোগেরও চিকিৎসা করতে হয়। অথচ অন্তরের সুস্থতা শরীরের সুস্থতার চেয়েও বেশী জরুরী। শরীর অসুস্থ থাকলেও অন্তর সুস্থ থাকতে পারে। কিন্তু অন্তর অসুস্থ হলে সুস্থ শরীরও আমাদের কোন কাজে লাগবে না।অন্তরের রোগ কেমন হতে পারে অথবা অন্তরের রোগের প্রকার ও ধরন কতটি—এসব রোগ থেকে সুস্থতার জন্য কী কী পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে, এই বিষয়গুলো নিয়ে ‘রূহের চিকিৎসা’ গ্রন্থটিতে শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়ার দীর্ঘ ও প্রয়োজনীয় আলোচনা রয়েছে। আলোচনাগুলো পাঠকের সুবিধার্থে মজলিস আকারে সাজানো হয়েছে। একজন মুসলিম হওয়ার পরও ইচ্ছায় অনিচ্ছায় আমরা বিভিন্ন আত্মিক রোগে আক্রান্ত হই। যার ফলে আমাদের সমস্ত ইবাদাহ, সকল আমল অর্থহীন হয়ে যায়। এই সব বিষয়গুলো নিয়ে ইমাম ইবনু তাইমিয়ার যুক্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ আলোচনা পাওয়া যাবে গ্রন্থটিতে। বইয়ের বিভিন্ন আলোচনায় স্পষ্টভাবে অন্তরের হাল হাকিকত তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি তা থেকে উত্তরণের ব্যবস্থাপত্রও বলে দেয়া হয়েছে। এই গ্রন্থটিকে মুসলিম উম্মাহর আত্মিক ব্যাধি ও প্রতিকারের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলা যায়। একজন তরুণের জন্য, একজন বৃদ্ধের জন্য—বলা যায়, সকল মুসলিমের জন্যই এই বইটি পড়া জরুরী।
Sale

সুখের নাটাই

৳ 112.00
লেখক : আফরোজা হাসান
প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশন
বিষয় : ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা

সম্পাদনা : আবুল হাসানাত কাসিম, আব্দুল্লাহ মাহমুদ, নুসরাত জাহান মুন
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১০৪

সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে মানুষ সুখের সন্ধান করে ফিরছে। নিজেদের জীবনকে সুখের আবরণে আচ্ছাদিত করতে মানুষের আজন্ম অভিপ্রায়। সভ্যতা এগোলো, মানুষ সংঘবদ্ধ হলো, গড়ে উঠলো সমাজ, রাষ্ট্র আর পরিবার। মানুষ থিঁতু হলো একটা জায়গায়। কিন্তু, সুখ সন্ধানে তার যে পৌরাণিক পৌনঃপুনিকতা, তা থেকে সে কি নিবৃত হতে পেরেছে কখনো?

আজ আমরা জানি, ব্যক্তিজীবন, সমাজজীবন কিংবা রাষ্ট্রজীবন, সবখানেই মুখ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে পরিবার। একটা পরিবার কাঠামোর মধ্যেই নিহিত থাকে আমাদের সমাজজীবন, রাষ্ট্রজীবন আর ব্যক্তিজীবনের সুখের বীজ। আমাদের পরিবার যতোখানি গোছানো হবে, যতোখানি পরিপাটি হবে আমাদের সংসার, আমরা ততোখানিই সুখের কাছাকাছি যেতে পারবো। তবে, এসবকিছুকে ছাপিয়ে, সুখী জীবনের সবচেয়ে বড় এবং সারকথা নিহিত আছে যে বিষয়ে, তা হলো মহান রবের সন্তুষ্টি। আমরা একটা বৃত্তবন্দী জীবন পার করি। আমাদের কেন্দ্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধানই প্রধান এবং মুখ্য। ফলে, আমরা যতোখানি কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকতে পারবো, কিংবা একীভূত হতে পারবো তার মাঝে, ততোই আমাদের জীবন সুখী হবে। সুখের সুন্দর সৌন্দর্য তখন আমাদের জীবনে প্রস্ফুটিত হবে। বৃত্তবন্দী সেই জীবনের পরত থেকে, সুখের অনুসন্ধানে লেখিকা আফরোজা হাসান রচনা করেছেন ‘সুখের নাটাই’ শিরোনামে একটি অনন্য শৈলীর উপাখ্যান।

আমাদের বৃত্তবন্দী জীবনের অলিগলি থেকে, জীবনের পরত থেকে তুলে আনা সুখ সন্ধানের গল্পগুলো লেখিকার কলমে দারুণ শৈল্পীকতার রূপ লাভ করেছে। ‘সুখের নাটাই’-এ ভর করে, আমরাও ডুব দেবো অনন্ত অসীম আকাশে, যেখানে দেখা মিলবে সত্যিকার সুখের ঘুড়ির

Sale

হৃদয় জাগার জন্য

৳ 175.00
লেখক : ইয়াসমিন মুজাহিদ
প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশন
বিষয় : ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
অনুবাদ: মাসুদ শরীফ
শারঈ সম্পাদনা: শায়খ আহমাদ উল্লাহ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬৮ টি
কভার: পেপার ব্যাক
মানুষের সত্যিকার সংশোধন কীসে? প্রশ্নটার উত্তর অনেক রকমের হতে পারে। নিরেট বস্তুবাদী কেউ হয়তো তার বস্তুবাদী দর্শনের সঠিক বুঝটাকেই সত্যিকার সংশোধন বলতে চাইবে। কিন্তু নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের এভাবে বলেননি। তিনি জানিয়েছেন, আমাদের ভেতরে একটা মাংসপিণ্ড আছে। ওই মাংসপিণ্ড যদি সুস্থ থাকে, তাহলে আমরাও সুস্থ থাকি। আবার ওই মাংসপিণ্ড যদি অসুস্থ হয়, অসুস্থ হয়ে পড়ি আমরাও। নবিজির এই বর্ণনা থেকে আমরা জানতে পারি, শরীরের ভেতরের মাংসপিণ্ড বলতে তিনি আসলে অন্তর তথা হৃদয়কেই বুঝিয়েছেন। এই সুর আমরা কুরআনের একটা আয়াত থেকে পাই। আল্লাহ বলেছেন, ‘চোখ তো অন্ধ হয় না, বরং অন্ধ হয় বক্ষস্থিত অন্তর।’ মানুষের চোখ কখনো বিভ্রান্ত হয় না, অন্ধ হয় না। আল্লাহ বলছেন, অন্ধ হয় হৃদয়। কুরআন ও নবিজির হাদিস থেকে প্রমাণিত যে, আমাদের সত্যিকার সংশোধন মূলত অন্তর তথা হৃদয়ের পরিশুদ্ধিতে যদি আমরা আমাদের হৃদয়কে শুদ্ধ করতে পারি, জাগাতে পারি অবাধ্যতা আর অসচেতনতার গভীর ঘুম থেকে, তাহলেই হয়তো মানব-মনের সত্যিকার সংশোধন সম্ভব।ঠিক এই কাজটিই করতে চেয়েছেন লেখিকা ইয়াসমিন মোগাহেদ। বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় এই লেখিকা তার ‘রিক্লেইম ইয়োর হার্ট’ বইতে মানুষের হৃদয়কে জাগানোর রসদ জুগিয়েছেন। ভুলে ডুবে থাকা, অচেতন হয়ে থাকা বিস্মৃত অন্তরকে টেনে তুলতে তিনি বাতলে দিয়েছেন একের পর এক উপায়। আত্মিক উন্নয়নের জন্য তিনি এমনকিছু পন্থা মেলে ধরেছেন আমাদের সামনে, যা সত্যিকার অর্থে প্রশংসার দাবিদার। সেই বইয়ের অনুবাদ ‘হৃদয় জাগার জন্য’।
Back to Top

Shopping cart